শামসুদ্দিন মোল্লা
জন্ম: ১৯২১ সালে
জন্মস্থান: ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার পূর্ব সদরদী গ্রাম
দেখা হয়েছে: 3 বার
জীবনী ও পরিচয়
মৃত্যু সালঃ ১৯৯১ সালের ১০ জুলাই
শামসুদ্দিন মোল্লা ১৯৪১ সালে ভাঙ্গা হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। এই স্কুলে পড়ার সময়েই বঙ্গবন্ধুর সাথে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। ১৯৪৪ সালে কোলকাতা সুরেন্দ্রমোহন কলেজ থেকে আই এ এবং ১৯৪৬ সালে কোলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বি. এ পাশ করেন।
তিনি কায়েদে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, আতাউর রহমান, তমিজদ্দিন খান প্রমুখ জাতীয় নেতাদের সান্নিধ্যে আসেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে পাকিস্থানী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.বি পাশ করে ফরিদপুর বারে আইন পেশায় যোগদান করেন। তিনি ১৯৬০-৬৮ সাল পর্যন্ত বৃহত্তর ফরিদপুরে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং ৬৮-৬৯ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৬৬ সালে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য নির্বাচিত হন এবং ৬ দফা আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন। ১৯৬৯ সালে গণ অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন। ১৯৭০ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে সালে দৈনিক ইত্তেফাকের ফরিদপুরের নিজস্ব সংবাদদাতা মনোনীত হন। ১৯৬৬ থেকে ৬৯ সাল পর্যন্ত ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ছিলেন। ১৯৬৬-৬৮ পূর্ব পাকিস্থান সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭২-৭৫ সাল পর্যন্ত ফরিদপুর বারে সভাপতি ছিলেন। ১৯৭২ সালে সংবিধান রচয়িতার অন্যতম সদস্য ছিলেন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হন। ১৯৮৩ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে শান্তি সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি ফরিদপুর ল-কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেবীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর পরিবর্তিত বাকশালের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বৃহত্তর ফরিদপুরের গভর্ণর মনোনীত হয়েছিলেন।
তিনি ফরিদপুর রেড ক্রিসেন্টের সভাপতি ছিলেন ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত। তিনি ফরিদপুর সারদা সুন্দরী কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছাড়াও কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের সদস্য ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে প্রচার করুন
যোগাযোগ: ০১৭XXXXXXXX